রাজনগর প্রতিনিধি::
‘তারুণ্যের আশা আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যে পালিত হয়েছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এসএমসি এর আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত কমিউনিটি মবিলাইজেশন প্রকল্প সীমান্তিক ও রাজনগর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১১ টায় রাজনগর উপজেলা মাল্টিপারপাস হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপুল সিকদারের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ সিলেটের পরিচালক আবদুল লতিফ মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজারের ডিডিএফপি জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র দাস। বক্তব্য দেন সীমান্তিকের কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রামের ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার সাইদুল হক।
এসময় বক্তারা মাঠপর্যায়ের কর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, জন্ম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনসচেতনতাবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মানবাধিকারাসহ তরুণ প্রজন্মকে মেধাবী হিসেবে গড়ে তুলছেন মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা। জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য যেমন আশীর্বাদ হতে পারে, তেমনি সঠিক পরিকল্পনার অভাবে তা বড় চ্যালেঞ্জেও পরিণত হতে পারে। যদি একটি দেশের মানুষ সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও কর্মক্ষম হয়, তবে সেই জনসংখ্যাই দেশের উন্নয়নের প্রধান শক্তি। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য, বাসস্থান, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। বর্তমান বিশ্বের একটি বড় অংশই তরুণ। তাদের স্বপ্ন, মেধা, সৃজনশীলতা এবং কর্মশক্তিই আগামী দিনের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।
সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানী এর পার্টনারশীপে সীমান্তিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সাথে সমন্বয় করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন। ১৮ বছরের আগে বিয়ে না, ২০ বছরের আগে সন্তান না, ৩৫ বছরের পরে সন্তান না, দুই সন্তান জন্মের মধ্যে কমপক্ষে ৩ বছরের বিরতির মতো অত্যাশ্যকীয় বিষয়কে সামনে রেখে কাজ করছেন, অপূর্ণ চাহিদা কমানো, নিরাপদ মাতৃত্ব, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা. তাছাড়া পরিবার পরিকল্পনা এবং সন্তান গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অধিকার ও সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা । সরকারের পাশাপাশি বে-সরকারী সংস্থার অবদান দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনুষ্ঠানে পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের পক্ষ থেকে রাজনগর উপজেলার কমিউনিটি মোবিলাইজেশন প্রোগ্রামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
